
এসি মিলানের ২৭% গোল আসে ৭৬ মিনিটের পর—সান সিরোয় তাদের ‘লেট সার্জ’-এর পরিচয় স্পষ্ট। এই দেরি ঝড়ের মুখোমুখি সেই ক্যালিয়ারি, যারা ১৯৯৭ সালের পর মিলানের মাঠে জয় পায়নি। তবে গত মৌসুমে দুই লেগেই নাটকীয় ড্র: মিলানে ১-১, সার্ডিনিয়ায় ৩-৩।
হেড-টু-হেডে একচ্ছত্র আধিপত্য। মিলানের মাঠে শেষ ২৬ ম্যাচে মিলান জিতেছে ২১, ড্র ৪, হেরেছে মাত্র ১; গোল ব্যবধান ৬০-২০। মোট ৫২ মোকাবিলায় মিলান এগিয়ে ৩৫-১৪-৩, গোল ৯৭-৪০। সবচেয়ে বেশি দেখা স্কোরলাইন ১-০—মোট ৯ বার, যার মধ্যে সান সিরোয় ৫ বার—মানে সূক্ষ্ম ব্যবধানে ফল নির্ধারিত হওয়ার প্রবণতা প্রবল।
সময়ের কাঁটা বলছে অনেক কিছু। ১৬-৩০ মিনিটে মিলানের গোল মাত্র ৬%—লিগে সর্বনিম্ন ভাগ। ক্যালিয়ারির জন্য শুরুতেই হাই প্রেস ও সরাসরি আক্রমণে অস্থিরতা তৈরির সুযোগ আছে। কিন্তু চূড়ান্ত পরীক্ষা প্রায়ই শেষ ভাগে আসে: ৭৬-৯০ মিনিটে মিলানের এক-চতুর্থাংশের বেশি গোল হওয়ায় ক্যালিয়ারিকে শেষ ১৫ মিনিটে শক্তি, ফোকাস ও বক্সের রক্ষণশক্তি ধরে রাখতে হবে।
পিওলির দলের রূপরেখা—মাঝে নিয়ন্ত্রণ, ট্রানজিশন কমানো, আর ৭০ মিনিটের পর বেঞ্চের প্রভাব কাজে লাগানো। ক্ষুদ্র ব্যবধানের জয় দেখায় সেট-পিস, সেকেন্ড বল ও উইং রোটেশন হতে পারে টার্নিং পয়েন্ট। ক্যালিয়ারির কৌশল শৃঙ্খলাভিত্তিক—স্কোরবোর্ড টাইট রাখা, টেম্পো ভাঙা, আর দেরিতে আসা ক্রস ও কাট-ব্যাক সামলে রাখা।
গত মৌসুমের ১-১ ও ৩-৩ মিলানকে সতর্ক করে: রিদম ভাঙলে ম্যাচ হাই-স্কোরিংও হতে পারে। তবু দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা ঘরের দলের পক্ষেই। এক ট্যাকটিকাল, কম-গোলের সেরি আ লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে, যেখানে ইতিহাস আর মিলানের লেট সার্জ সুর বেঁধে দেবে। ১৯৯৭-এর খরা কি এবার কাটবে?