সব

ম্যাচ রিপোর্ট

ফুটবল

ভবিষ্যদ্বাণী

Tusport - খবর - মিলানের দেরিতে জয়ের ধারা, কাগ্লিয়ারির সান সিরো খরা ১৯৯৭ থেকে

মিলানের দেরিতে জয়ের ধারা, কাগ্লিয়ারির সান সিরো খরা ১৯৯৭ থেকে

মিলানের দেরিতে জয়ের ধারা, কাগ্লিয়ারির সান সিরো খরা ১৯৯৭ থেকে
ইতিহাস স্পষ্টতই এসি মিলানের পক্ষেই। সান সিরোতে কাগ্লিয়ারির বিপক্ষে শেষ ২৬টি হোম ম্যাচে মিলান জিতেছে ২১টি, ড্র ৪টি, হেরেছে মাত্র ১টি; গোল ব্যবধান ৬০-২০। দুই দলের লড়াইয়ে—সামগ্রিকভাবে এবং মিলানের মাঠে—সবচেয়ে বেশি দেখা স্কোর ১-০: মোট ৯ বার, যার মধ্যে সান সিরোতেই ৫ বার। কাগ্লিয়ারির এখানে সর্বশেষ অ্যাওয়ে জয় ১৯৯৭ সালে—প্রায় তিন দশকের খরা। তবু গত মৌসুমে ছন্দে ভাঙন দেখা গেছে: মিলানে ১-১, সার্ডিনিয়ায় ৩-৩—ইঙ্গিত যে ম্যাচটি খোলা হতে পারে। দীর্ঘদিনের প্রবণতা ও সাম্প্রতিক অস্থিরতার টানাপোড়েনেই গড়ে উঠবে এই সিরি আ লড়াইয়ের মূল কাহিনি। গোলের সময়সূচিই হতে পারে পার্থক্য গড়ার জায়গা। মিলানের ২৭% গোল আসে ৭৬-৯০ মিনিটে—শেষ দিকে গতি বাড়িয়ে ম্যাচ কুড়িয়ে নেওয়ার অভ্যাস। উল্টোদিকে, ১৬-৩০ মিনিটে তাদের গোল মাত্র ৬%—লীগে সবচেয়ে কম—মানে প্রথমার্ধের মাঝামাঝিতে গতি তুলনামূলক কম। ধারণা করা যায় মিলান ধৈর্য ধরে বিল্ড-আপ করবে, এক ঘণ্টার পর চাপ বাড়াবে এবং শেষদিকে চূড়ান্ত আঘাত খুঁজবে। কাগ্লিয়ারির টিকে থাকার ফর্মুলা দুইটি: মিলানের শেষ ধাক্কা সামলানো এবং যখন স্বাগতিক কম ধারালো, তখন ট্রানজিশনে আঘাত করা। কমপ্যাক্ট ডিফেন্স, সেট-পিসে শৃঙ্খলা এবং উইং চ্যানেলে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ অপরিহার্য। শুরুতে আঁটসাঁট থেকে ডেড-বল পরিস্থিতি কাজে লাগাতে পারলে, ম্যাচকে শেষ মিনিট পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে। মিলান নিজেদের গঠন ও স্কোয়াড ডেপথে আস্থাশীল হতে পারে। ১-০ ফল শুধু কাকতাল নয়; এটি মিলানের নিয়ন্ত্রণ এবং কাগ্লিয়ারির অ্যাওয়ে সৃজনশীলতার সীমাবদ্ধতার প্রতিফলন। প্রেডিকশন: লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি, তবু ফেভারিট মিলান—সম্ভাব্য স্কোর ১-০ বা ২-১; নির্ধারণী মুহূর্ত শেষ দিকেই। তিন পয়েন্ট মিলানের শীর্ষ লক্ষ্যে জোর যোগাবে; কাগ্লিয়ারির জন্য ড্র-ও ইতিহাসের বিপরীতে দারুণ সাফল্য।