দুটি বিপরীত ধারার মুখোমুখি লড়াই: আর্জেন্টিনা টানা সাত জয় এবং প্রতিটি ম্যাচে গোলের ধারায়, আর আলজেরিয়া টানা চার ম্যাচ ক্লিন শিটে। শেষ ম্যাচে দুই দলই গোল খায়নি; আর্জেন্টিনা টানা তিন ম্যাচ গোল হজম করেনি। তাই প্রথম গোলই ম্যাচের ছন্দ নির্ধারণ করতে পারে।
শুরুর আধিপত্যে আর্জেন্টিনা এগিয়ে—তাদের ৮৮% ম্যাচে হাফটাইমে লিড থাকে। ঘরে ১-০ এগিয়ে গেলে সকলবারই জিতেছে। আলজেরিয়ার চিত্র দ্বিমুখী: বাইরে ০-১ এগোলে সবসময় জেতে, কিন্তু বাইরে ১-০ পিছিয়ে পড়লে এখনো জিততে পারেনি।
সাম্প্রতিক সরাসরি লড়াইও বলে ব্যবধান ক্ষীণ—গতবার আর্জেন্টিনা এক গোলেই জিতেছিল। এ কারণেই ধরেই নেওয়া যায়, আর্জেন্টিনা প্রথম থেকেই চাপে রাখবে; আলজেরিয়া গুছিয়ে ব্লক গড়ে জোন সংকুচিত করবে এবং সুযোগ পেলেই ট্রানজিশনে আঘাত হানবে।
আক্রমণাত্মক গড়ে আরেকটি চিত্র: ঘরে আর্জেন্টিনার গড় ২.৬৭ গোল, বাইরে আলজেরিয়ার ২.৩। তালা দ্রুত খুললে খেলা খোলামেলা হতে পারে, ট্রানজিশনের গতি বাড়বে। তবু আলজেরিয়ার চার ম্যাচের ক্লিন শিট বোঝায় তাদের রক্ষণই শক্ত ভরসা; প্রথম ২০ মিনিট সুযোগহীন গেলে ম্যাচ কৌশল-নির্ভর দাবা হয়ে উঠতে পারে।
ফোকাস জোন: আর্জেন্টিনার হাই প্রেস ও সেট-পিস বনাম আলজেরিয়ার বক্স ডিফেন্স; উইংয়ে সংখ্যাগত বাড়তি থেকে কাটব্যাক; আর হাফটাইমের ঠিক আগে মানসিক নিয়ন্ত্রণ। ৮৮% হাফটাইম লিড মানে বিরতির আগেই আর্জেন্টিনা প্রায়ই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
সাম্প্রতিক ফর্ম আর্জেন্টিনার পক্ষে—শেষ পাঁচ ম্যাচে তারা এগিয়ে। তবে আলজেরিয়া টানা চার ম্যাচ অপরাজিত এবং রক্ষণে দৃঢ়। সারকথা, প্রথম গোল—বিশেষত প্রথমার্ধের কাহিনি—ফল নির্ধারণ করতে পারে। স্বাগতিকদের সামান্য এগিয়ে রাখা যায়, কিন্তু আলজেরিয়ার শৃঙ্খল ডিফেন্স ম্যাচকে ক্ষুদ্র ব্যবধানে সিদ্ধান্তে নিতে পারে।