সব
বিশ্বকাপ
ফুটবল
ভবিষ্যদ্বাণী
ম্যাচ রিপোর্ট
আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, নেভিলের সমালোচনায় মার্টিনেজ
বিশ্বকাপে মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা দারুণ এক প্রত্যাবর্তন উপহার দিল। স্টুডিওতে রয় কীন মজা করে বললেন—এ লড়াই তাঁকে ‘গলা বসিয়ে’ দিয়েছে। অন্যদিকে, গ্যারি নেভিল বিশ্লেষণে দেখালেন প্রথম গোলের সময় লিসান্দ্রো মার্টিনেজের এক মুহূর্তের ঢিলেমি। ডান দিক থেকে নিখুঁত ক্রসে দূর পোস্টে জোরালো হেডে মিশর এগিয়ে যায়, যখন আর্জেন্টিনার ডিফেন্স সামান্য দ্বিধায় পড়ে। নেভিলের মতে, সাধারণত বডি-টু-বডি আর টাচ-টাইটে সেরা থাকা মার্টিনেজ তখন হঠাৎ আধা কদম সরে গিয়েছিলেন—সম্ভবত অফসাইড লাইনের সাথে তাল মেলাতে—আর সেই ক্ষণিক ফাঁকটাই কাজে লাগায় মিশর।
এরপর দেখা যায় চ্যাম্পিয়নের জবাব। আর্জেন্টিনা উচ্চ প্রেসে চাপ বাড়ায়, দ্রুত বল তৃতীয়াংশে পৌঁছায়, উইং থেকে ডিফেন্স প্রসারিত করে। প্রাথমিক ধাক্কার পর ব্যাকলাইন লাইনগুলোর দূরত্ব কমিয়ে মিশরের পাল্টা আক্রমণের রাস্তা বন্ধ করে। কীন তীব্রতা ও আবেগের প্রশংসা করে বলেন, উল্টে যাওয়ার সেই ধাক্কা তাঁকে চিৎকার করিয়ে গলা বসিয়ে দিয়েছে। বদলি নামার পর ছন্দ আরও চওড়া হয়; মিশর নিজেদের অর্ধে গুটিয়ে যেতে বাধ্য হয় এবং বারবার রক্ষণাত্মক সিদ্ধান্তে ঠেলে দেওয়া হয়। সেট-পিস ও সেকেন্ড বলেও আর্জেন্টিনা পরে নিয়ন্ত্রণ নেয়।
প্রথম গোলের ঘটনায় চাপে পড়া মার্টিনেজ দ্বিতীয়ার্ধে স্থিরতা ফিরে পান—ভালো টাইমিংয়ে ইন্টারসেপশন, আর চেনা শারীরিক দৃঢ়তায় দ্বৈরথ জেতেন। নেভিল এই সমন্বয়কে স্বীকৃতি দিলেও মনে করিয়ে দেন, এলিট টুর্নামেন্টে অতি ক্ষুদ্র ফাঁকও নকআউটের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
এই জয়ে আর্জেন্টিনা পৌঁছে গেল কোয়ার্টার-ফাইনালে, যেখানে প্রতিপক্ষ হবে সুইজারল্যান্ড বনাম কলম্বিয়ার বিজয়ী। সামনে সম্ভাব্য সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের সঙ্গেও দেখা হতে পারে—শর্ত, থ্রি লায়ন্সকে শনিবার নরওয়ে পেরোতে হবে। এই প্রত্যাবর্তন আবারও জানাল: ধাক্কা খেলেও আর্জেন্টিনা দ্রুত পুনর্গঠিত হয়ে দৃঢ় আত্মবিশ্বাসে জবাব দেয়।