
মাইকেল ওয়েনের মতে, আর্সেনাল তাদের শিরোপা ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে। মিকেল আর্তেতার অধীনে দলের স্থিতিশীলতা, স্পষ্ট কাঠামো ও কার্যকারিতা তাদের আবারও বড় পয়েন্ট যোগ করার পথে এগিয়ে রাখে। ওয়েন মনে করেন, শক্ত রক্ষণভাগ, খেলার নিয়ন্ত্রণ এবং বহুমুখী আক্রমণভাগ—এই পরিষ্কার পরিচিতিই পুরো মৌসুমে ধারাবাহিকতায় রূপ নেয়।
তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীদের সমস্যা নিয়েও কথা বলেছেন। লিভারপুল একটি রূপান্তর পর্যায়ে, তাল খুঁজছে; চেলসি ব্যাপক বিনিয়োগের পরও সমন্বয় ও স্থায়িত্ব খুঁজে ফিরছে; ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের দিকনির্দেশনা ইতিবাচক হলেও পুনর্গঠন চলছে, বড় খেলোয়াড়দের বিদায় ও ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার চাপ গতি কমাতে পারে। এমন প্রেক্ষাপটে, আর্সেনাল যদি সপ্তাহে সপ্তাহে মান বজায় রাখে, তবে ব্যবধান গড়ে তুলতে পারে।
ট্রান্সফার বাজারও উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। খবর রয়েছে, আর্সেনাল ভিক্টর জিওকারেসকে আদর্শ নাম্বার ৯ হিসেবে পুরোপুরি মানানসই মনে করছে না এবং এমন এক ফরোয়ার্ড খুঁজছে যে তাদের হাই‑প্রেস ও পজিশনাল ইন্টারচেঞ্জ কৌশলের সঙ্গে বেশি খাপ খায়। অন্যদিকে, আতলেতিকো মাদ্রিদের স্পোর্টিং ডিরেক্টর আন্দ্রেয়া বের্তা নাকি একজন শীর্ষ স্ট্রাইকারের জন্য ‘আকাশ‑পাতাল এক’ করবেন—যা ইউরোপীয় বাজারের মূল্যায়ন প্রভাবিত করতে পারে এবং পরোক্ষভাবে আর্সেনালের বিকল্পেও প্রভাব ফেলতে পারে।
আর্সেনালের নীতি স্পষ্ট: দ্রুততার জন্য প্রোফাইল নিয়ে আপস নয়। মজবুত ডিফেন্স, উন্নত গেম কন্ট্রোল ও বহুমুখী আক্রমণের জোরে তারা বিশ্বাস করে, বড় রদবদলের নয়, ক্ষুদ্র উন্নয়নই শিরোপার পথে যথেষ্ট। যদি প্রতিপক্ষরা অস্থিরতায়ই আটকে থাকে, ওয়েনের ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হতে পারে। শেষ পর্যন্ত ৩৮ ম্যাচের এই দৌড়ে জিতবে সেই দল, যে সবচেয়ে বেশি নীতিতে অটল ও ধারাবাহিক থাকবে।