সব

ম্যাচ রিপোর্ট

ফুটবল

ভবিষ্যদ্বাণী

Tusport - খবর - আর্সেনাল বনাম নিউক্যাসল: এমিরেটসে দাপট, দেরিতে ফয়সালা

আর্সেনাল বনাম নিউক্যাসল: এমিরেটসে দাপট, দেরিতে ফয়সালা

আর্সেনাল বনাম নিউক্যাসল: এমিরেটসে দাপট, দেরিতে ফয়সালা
এমিরেটসে ইতিহাস স্পষ্টভাবে আর্সেনালের পক্ষে। গত ৩৪টি ঘরের ম্যাচে গানাররা নিউক্যাসলকে ২৫ বার হারিয়েছে; গোল পার্থক্য ৭১-২১। এই মাঠে সবচেয়ে সাধারণ স্কোরলাইন ৩-০ (৬ বার), যা ঘরের মাঠের কর্তৃত্ব বোঝায়। তবে সামগ্রিক মুখোমুখিতে সবচেয়ে ঘন ঘন ফল ১-০ (১১ বার)। গত মৌসুমেও উভয় দল নিজ নিজ মাঠে ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল—অর্থাৎ খেলার নিয়ন্ত্রণ থাকলেও জয়-পরাজয় প্রায়ই ক্ষুদ্র ব্যবধানে নির্ধারিত হয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে নাটকীয়তা আরও বেড়েছে। প্রিমিয়ার লিগে নিউক্যাসল টানা তিন ম্যাচ হেরে এসেছে এবং কঠিন ভেন্যুতে ঘুরে দাঁড়াতে চায়। আর্সেনাল ঘরের মাঠে সহজাতভাবে ছন্দ নিয়ন্ত্রণে পারদর্শী এবং শুরু থেকেই চাপ তৈরি করবে। তবে পরিসংখ্যান বলছে, নিষ্পত্তি হতে পারে শেষ ১৫ মিনিটে—আর্সেনালের ২৪% এবং নিউক্যাসলের ২৬% গোল ৭৬-৯০ মিনিটে আসে। অর্থাৎ প্রথম এক ঘণ্টা যেমনই হোক, শেষ সময়ে ম্যাচ ঘুরে যেতে পারে। কৌশলগত ভাবে আর্সেনাল উঁচু প্রেস, হাফ-স্পেসে প্রবেশ ও সেকেন্ড বল কুড়িয়ে নিয়ে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরতে চাইবে। নিউক্যাসলকে বক্সে কমপ্যাক্ট থাকা, সেকেন্ড বল সামলানো এবং ট্রানজিশন কাজে লাগাতে হবে। যদি স্কোরলাইন সমতায় থেকে শেষ কোয়ার্টারে ঢোকে, নিউক্যাসলের দেরিতে গোল করার প্রবণতা প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, আর্সেনালের ঘরের মাঠে শেষ দিকে চাপ বাড়ানোর অভ্যাস সাধারণত সুযোগে রূপ নেয়—বিশেষ করে যখন প্রতিপক্ষ হারের ধারা সামলাতে হিমশিম খায়। দেখার বিষয়: প্রথম ৩০ মিনিটে শট ও টেরিটরি কন্ট্রোল; ৭৫ মিনিটের পর ম্যাচ স্টেট; সেট-পিসের মান। আর্সেনাল শুরুতেই ভাঙলে ৩-০ দেখা যায়, তবে সাম্প্রতিক ধারা বলছে কম গোলের ম্যাচই সম্ভাব্য—১-০ এখনো বেসলাইন। ইতিহাস ও ভেন্যুর জোরে আর্সেনাল সামান্য ফেভারিট; নিষ্পত্তি সম্ভবত শেষ মুহূর্তেই।