সব

ম্যাচ রিপোর্ট

ফুটবল

ভবিষ্যদ্বাণী

Tusport - খবর - বার্নলি বনাম উলভস: জয়ের খরা, ১-১-এর ইঙ্গিত

বার্নলি বনাম উলভস: জয়ের খরা, ১-১-এর ইঙ্গিত

বার্নলি বনাম উলভস: জয়ের খরা, ১-১-এর ইঙ্গিত
টার্ফ মুরে মুখোমুখি দুই দলই জয়ের খরায় ভুগছে। বার্নলি টানা ১১ ম্যাচে জিততে পারেনি, ঘরে টানা ৮ ম্যাচে জয়হীন। উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সও টানা ৮ ম্যাচে জয়হীন এবং তাদের শেষ তিনটি প্রিমিয়ার লিগ অ্যাওয়ে ম্যাচ হারের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। ফলে ক্ষুদ্র ভুলও পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। হেড-টু-হেড চিত্রে সামগ্রিক সুবিধা উলভসের: ৩৮ মোকাবিলায় ১৯ জয়, বার্নলির ১১ এবং ৮ ড্র। তবে টার্ফ মুরে লড়াই সমানতালে: শেষ ১৮টি বার্নলির মাঠে উলভস জিতেছে ৭, বার্নলি ৬, ড্র ৫। সবচেয়ে বড় মানসিক চাপের তথ্য—উলভসের বার্নলির মাঠে শেষ অ্যাওয়ে জয় ২০১০ সালে। সবচেয়ে বেশি দেখা স্কোর ১-১—টার্ফ মুরে এই স্কোরলাইন পাঁচবার ঘটেছে। গোলের সময়ও ম্যাচের ছক এঁকে দেয়: উলভসের ২৭% গোল ৩১–৪৫ মিনিটে, বিরতির আগে চাপ বাড়ায়; বার্নলির ২৭% গোল ৭৬–৯০ মিনিটে, শেষভাগে জোয়ার তোলে। অর্থাৎ, প্রথমার্ধের শেষ দিকে উলভসের দাপট, আর শেষ পনেরো মিনিটে বার্নলির চাপ। উভয় দল জয়হীন থাকায় শুরুর কৌশল হবে সতর্ক। উলভস দ্রুত ট্রানজিশন ও উইং-ওভারলোডে বার্নলির সেট-পিস ও সাইড-ডিফেন্স পরীক্ষা করতে চাইবে। বার্নলি শেষভাগে টেম্পো বাড়িয়ে ক্রস, সেকেন্ড বল ও হাই-প্রেসে সুযোগ খুঁজবে। ইঙ্গিত বলছে—কম গোলের টানটান ম্যাচ। ১-১ কেবল ইতিহাস নয়, বর্তমান ফর্ম ও গোল-বিতরণও তাতে সায় দিচ্ছে। উলভসের জন্য ২০১০-এর অ্যাওয়ে খরা ভাঙা হবে বড় বার্তা; বার্নলির কাছে ঘরের ব্রেকথ্রু আত্মবিশ্বাস ফেরাবে। প্রক্ষেপণ: গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসতে পারে বিরতির আগে ও শেষ পনেরো মিনিটে। যদি কেউ খরা ভাঙে, তা সম্ভবত তাদের স্বাক্ষর সময়সীমা বা কোনো সেট-পিস থেকেই আসবে।