নয় ম্যাচের জয়রথ ও টানা নয় ম্যাচে গোল—এমন দাপুটে ধারায় কুরাসাওয়ের বিপক্ষে নামছে জার্মানি। ঘরের মাঠে তাদের গড় ৩.৮ গোল, যা ইঙ্গিত দেয় শুরুতেই ম্যাচের ছন্দ নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে স্বাগতিকরা।
শুরুর পর্যায়টাই হবে ফয়সালার। জার্মানি ৫০% ম্যাচে প্রথমার্ধ জেতে এবং ঘরে ১-০ এগোলেই ১০০% ক্ষেত্রে ম্যাচ জিতে ফেলে। উল্টো দিকে, কুরাসাও মাত্র ২৩% ক্ষেত্রে প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকে; বাইরে ০-১ পিছিয়ে পড়লে কখনও জিততে পারেনি। অর্থাৎ প্রথম ২০–৩০ মিনিটেই পাল্লা ভারী হয়ে যেতে পারে।
সম্ভাবনা—জার্মানি উচ্চ প্রেস, প্রস্থ ব্যবহার ও দ্রুত কম্বিনেশনে প্রথম গোল খুঁজবে। গোল পেলে পরিসংখ্যান বলে তাদের নিয়ন্ত্রণই বাড়ে। সাম্প্রতিক পাঁচ ম্যাচের ফর্মও জার্মানির পক্ষে, যা গতি ও আত্মবিশ্বাসে ব্যবধান দেখায়।
তবু কুরাসাওয়ের আশা একেবারে শেষ নয়। বাইরে তাদের গড় ১.৪৩ গোল, মানে চাপ পেরোতে পারলে ট্রানজিশনে হুমকি দিতে পারে। তাল কেটে দেওয়া ফাউল, কেন্দ্রীয় লেন বন্ধ, প্রথম টাচে বল ধরে রাখা—এসব জরুরি। উইঙ্গারদের জার্মান ফুল-ব্যাকের পেছনের ফাঁকা জায়গা টার্গেট করতে হবে। শৃঙ্খলিত লো-ব্লক ও বাছাই করা পাল্টা আক্রমণই ঢাল; দল লম্বা হয়ে গেলে স্বাগতিকদের ফিনিশিং ব্যবধান বাড়ায়।
হাফটাইম ছবি পরিষ্কার করবে। জার্মানি এগিয়ে গেলে ইতিহাস বলে তারা ম্যাচ ‘ক্লোজ’ করতে ওস্তাদ। সমতায় থাকলে কুরাসাওয়ের মূল অস্ত্র বদলি ও সেট-পিস। এমনকি গোলে দেরি হলেও, প্রথমার্ধে ৫০% জয়ের রেকর্ড জার্মানির কাঠামোগত স্থিতি নির্দেশ করে।
বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে, বিশ্বকাপ মঞ্চের রেকর্ড ও বর্তমান ধারায় ফেভারিট জার্মানি। কুরাসাওয়ের গল্পটা টিকে থাকা ও গেম ম্যানেজমেন্টের—শুরুটা বাঁচাও, মাঝটা লড়ো, শেষে বড় সুযোগ খোঁজো। পরিসংখ্যান বলছে, প্রথম গোল যদি জার্মানির হয়, স্বাগতিকদেরই দখল ভারী।