সব
বিশ্বকাপ
ফুটবল
ভবিষ্যদ্বাণী
ম্যাচ রিপোর্ট
জাপানের অজেয় ধারা বনাম সুইডেনের রক্ষণদুর্বলতা: বিশ্বকাপ প্রিভিউ
FIFA বিশ্বকাপে জাপান ও সুইডেনের লড়াইটি আসছে বিপরীত ধারার প্রেক্ষাপটে। জাপান টানা ৮ ম্যাচে অপরাজিত এবং প্রতিবার গোল করেছে। অন্যদিকে সুইডেন টানা ১৩ ম্যাচে গোল খেয়েছে, তবু টানা ৮ ম্যাচে নিজেরাও স্কোর করেছে। দুই দলই আগের বিশ্বকাপ ম্যাচে জয় পায়নি—ফলে শুরুতেই ছন্দ ও লিড নেয়া হবে মূল চাবিকাঠি।
সাম্প্রতিক ফর্ম জাপানের পক্ষে। শেষ ৫ ম্যাচে তারা এগিয়ে, ঘরের মাঠে ম্যাচপ্রতি গড় ২.৭১ গোল তাদের ধারাবাহিক আক্রমণভঙ্গি বোঝায়—যা প্রায়ই নিরপেক্ষ মাটিতেও টিকে যায়। সুইডেনের অ্যাওয়ে গড় ১.৩৩ গোল মোটামুটি, কিন্তু এমন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তা যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে নাও পারে, যে প্রতিপক্ষ চাপকে সুযোগ ও গোল-এ রূপান্তর করতে জানে।
প্রথমার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরতে পারে। জাপান ৪৬% ম্যাচে প্রথমার্ধ জেতে/লিড নেয়, যেখানে সুইডেন ৩৩%—মানে জাপান শুরুতেই ছন্দ ধরে রাখতে পারে। আরও গুরুত্বপূর্ণ, ঘরে ১–০ লিড পেলে জাপান ১০০% ম্যাচ জেতে—লিড ধরে রাখার নিখুঁত দক্ষতার ইঙ্গিত। এমনকি ০–১ পিছিয়েও তারা অর্ধেক ম্যাচে জিতে যায়। সুইডেনের অ্যাওয়ে প্রোফাইল ভঙ্গুর: ১–০ পিছিয়ে পড়লে জয় নেই; ১–০ এগিয়ে গেলেও মাত্র ৫০% সময় জয় ধরে রাখতে পারে। তাই প্রথম গোলটি, বিশেষত সুইডেনের জন্য, নির্ণায়ক।
কৌশলগতভাবে, জাপান উচ্চ তালে প্রেসিং ও দ্রুত কম্বিনেশন দিয়ে শুরুতেই আঘাত খুঁজবে। সুইডেনকে মিডফিল্ড-ডিফেন্সের ফাঁক কমিয়ে ট্রানজিশন ও সেট-পিসে কার্যকারিতা দেখাতে হবে। দুই দলের টানা গোলের ধারা এবং সুইডেনের দীর্ঘদিনের হজম প্রবণতা বিবেচনায়, দুই প্রান্তেই গোলের সম্ভাবনা প্রবল।
সারকথা, ফর্ম, শুরুর নিয়ন্ত্রণ ও গেম ম্যানেজমেন্টে জাপানের বাড়তি সুবিধা আছে। সুইডেনের পথ শৃঙ্খলাপূর্ণ শুরু ও রক্ষণভাগের ভুল কমানোর মধ্যে। আগের বিশ্বকাপ ব্যর্থতা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর তাগিদে, শুরু ও প্রথম গোলই ম্যাচের গতিপথ ঠিক করতে পারে।