সব

ম্যাচ রিপোর্ট

ফুটবল

ভবিষ্যদ্বাণী

Tusport - খবর - ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে বিরতির আগেই আঘাত চাই সিটি

ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে বিরতির আগেই আঘাত চাই সিটি

ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে বিরতির আগেই আঘাত চাই সিটি
এই লড়াইয়ের মোড় বদলাতে পারে বিরতির আগেই। প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির 28% ও ক্রিস্টাল প্যালেসের 32% গোল আসে 31-45 মিনিটে। অর্থাৎ হাফটাইমের আগে ইতিাহাদে তীব্র গতি ও নিয়ন্ত্রণ দখলের লড়াইই ফল নির্ধারণ করতে পারে। ইতিহাস সিটির পক্ষেই জোরালো। শেষ 18টি ঘরের মাঠের ম্যাচে সিটি 12 জিতেছে, 4 ড্র ও মাত্র 2 হেরেছে; গোলফারাক 50-18। মোট 39 দেখায় 24-8-7 রেকর্ড, গোলফারাক 84-36—দীর্ঘমেয়াদি দাপট স্পষ্ট। সিটি টানা 8 ম্যাচ অপরাজিত। প্যালেসের এ মাঠে সর্বশেষ জয় 2021—অপ্রত্যাশিত ফল সম্ভব হলেও ধারাটা নীলই। তবে সাম্প্রতিক চিত্র কিছু ভারসাম্য আনে: গত মৌসুমে সিটি ঘরে 5-2 জিতলেও, লন্ডনে 2-2 ড্র হয়েছিল। স্পেস কমানো, রিদম ভাঙা ও দ্রুত ট্রান্সিশনে পাল্টাঘাতে প্যালেস কীভাবে টিকে থাকতে পারে, তার নকশা সেখানে মিলেছে। এই মৌসুমে লিগে সিটি ঘরে 17 ম্যাচে মাত্র 1টিতে গোল পায়নি—ঐ ধারাবাহিক আক্রমণশক্তি আর বিরতির আগের তেজ মিলিয়ে প্রথমার্ধেই চাপ বাড়ার ইঙ্গিত। সিটির কৌশলগত চাবিকাঠি হবে মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ আর বিরতির আগের মিনিটগুলোতে ম্যাচ ম্যানেজমেন্ট—এ সময়ই দুই দল সবচেয়ে বিপজ্জনক। শুরুতে লিড এলে প্যালেসকে খোলা খেলতে হবে; ফলে উইং ও সেকেন্ড বল থেকে ওভারলোড তৈরি হবে। সেট-পিসেও সতর্কতা দরকার। প্যালেসের পথ পরিচিত: কেন্দ্র রক্ষা, সিটিকে আনুভূমিক পাসে বাধ্য করা, তারপর চ্যানেল ও ডিফেন্সের পেছনে দ্রুত আঘাত, বিশেষ করে 31-45 মিনিটে। ফিনিশিং-ই হোক বা নাহোক, ইতিাহাদে দ্বিতীয় সুযোগ কমই মেলে। সম্ভাবনা, সিটি শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক থাকবে এবং বিরতির আগেই গতি চড়াবে। ফর্ম ও মুখোমুখি রেকর্ডে হোম দল এগিয়ে, তবে বিরতির আগে প্যালেস গোল পেলে অঘটনের দরজাই খুলে যাবে।