সব
বিশ্বকাপ
ফুটবল
ভবিষ্যদ্বাণী
ম্যাচ রিপোর্ট
FIFA-র প্রতিক্রিয়া: ইংল্যান্ডের গোল নিয়ে নরওয়ের ক্ষোভ
বিশ্বকাপের এক রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে নরওয়ে ১-২ গোলে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যায়। ম্যাচের পর নরওয়ের খেলোয়াড়রা একটি স্বীকৃত ইংলিশ গোল নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান, যেখানে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটি কথিত ‘তার’ (ওয়্যার) ঘটনা ও অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ সিদ্ধান্ত। এ প্রসঙ্গে FIFA সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় জানায়, সিদ্ধান্তগুলো খেলার নিয়মাবলি ও প্রতিষ্ঠিত অফিসিয়েটিং প্রটোকল অনুযায়ী হয়েছে।
স্যান্ডার বের্গে স্পষ্ট ক্ষোভ দেখিয়ে বলেন, “এই ‘ওয়্যার’ বিষয়টা হাস্যকর। ২-১ স্কোরলাইন নিজেই সব বলে দেয়—ফারাক ছিল খুব ক্ষুদ্র, আর আমরা জানি পাল্লা কোনদিকে গেছে।” তাঁর কথাই বোঝাচ্ছে, নরওয়ে শিবিরের বিশ্বাস—নির্ণায়ক মুহূর্তগুলোতে ভাগ্য ও রায় তাদের পক্ষে ছিল না।
অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড কিছুটা সংযত থাকলেও ইঙ্গিত দেন, “আমি (ওয়্যার ঘটনা) নিজে দেখিনি, কিন্তু আজ কিছু সিদ্ধান্তে মার্জিন আমাদের পক্ষে ছিল না। এমন ম্যাচে হয়তো আপনাকে সে মার্জিনটাই দরকার।” শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় কীভাবে ফল নির্ধারণ করে, তাঁর বক্তব্যে তা-ই উঠে আসে।
এরলিং হালান্ড নিজের বিরুদ্ধে দেওয়া এক ফাউল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন: “যদি ওটা ফাউল হয়, তাহলে প্রায় প্রতিটি ডুয়েলে আমার ফাউল পাওয়া উচিত। আমাকে সারাক্ষণ ঠেলা-ধাক্কা, টানাটানি করা হয়—এটা দুর্বল সিদ্ধান্ত।” শক্তিশালী স্ট্রাইকার ও কঠোর ডিফেন্ডারদের লড়াইয়ে রেফারির সংস্পর্শ-মূল্যায়ন নিয়ে চিরচেনা বিতর্ক ফের সামনে আসে।
FIFA তাদের প্রতিক্রিয়ায় কোনো নির্দিষ্ট দৃশ্য নিয়ে মন্তব্য না করে অফিসিয়াল প্রক্রিয়া ও VAR কাঠামো মানার কথা জোর দিয়ে বলে। নরওয়ের আক্ষেপ—ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ সেই গোল ও হালান্ডকে ঘিরে সংঘর্ষগুলো হয়তো ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা যেত। অন্যদিকে ইংল্যান্ড দেখাল উচ্চচাপে বিশ্বকাপ মঞ্চে খেলার ক্ষণটুকু কিভাবে কাজে লাগাতে হয়।
প্রযুক্তি ভুল কমায়, সম্পূর্ণ দূর করে না—এই ম্যাচ আবারও তা মনে করিয়ে দিল। শেষ পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে ১-২-ই লেখা থাকল, আর বিতর্ক—মার্জিনের মতোই—রইল সূক্ষ্ম রেখায়।