সব

ম্যাচ রিপোর্ট

ফুটবল

ভবিষ্যদ্বাণী

Tusport - খবর - সেল্তা বনাম এলচে: শেষভাগের জোর বনাম অ্যাওয়ে খরা

সেল্তা বনাম এলচে: শেষভাগের জোর বনাম অ্যাওয়ে খরা

সেল্তা বনাম এলচে: শেষভাগের জোর বনাম অ্যাওয়ে খরা
স্পেনে দেরির নাটকের ঠিকানা যদি থাকে, সেটি বালাইদোস। আরসি সেল্তা দে ভিগো তাদের ৩০% গোল করে ৭৬–৯০ মিনিটে, আর এই সময়টাই এলচে সিএফের সবচেয়ে নরম পেট—লা লিগায় টানা ছয়টি অ্যাওয়ে হার নিয়ে তারা ভিগোতে আসছে। ফলে শেষ দিকে ম্যাচের রাশ ঘুরে যাওয়ার ইঙ্গিত স্পষ্ট। ইতিহাসের ছবিটাও মিলছে। ভিগোতে শেষ ১১ মুখোমুখিতে সেল্তা ৪ জিতেছে, ড্র ৫, এলচে জিতেছে ২; গোল অন্তর ১৭–১৪ সেল্তার পক্ষে। সব মিলিয়ে ২৩ দেখায় ৯–৭ ব্যবধানে জয় সেল্তার, ৭ ড্র, মোট গোল ২৮–২৪। স্কোরলাইনে দু’টি ধারা সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য—১–০ সবচেয়ে বেশি (৫ বার), আর ভিগোতে ২–২ সবচেয়ে ঘন (৪ বার)। এর মানে, ম্যাচ অনেক সময় ধীর, সতর্ক শুরু থেকে হঠাৎ খোলা লড়াইয়ে বদলে যায় এবং ৯০ মিনিটের ভেতরেই নাটকীয় মোড় নেয়। সেল্তার প্রকৃতি স্পষ্ট: শুরুতে মন্দা (০–১৫ মিনিটে মাত্র ৫% গোল), কিন্তু শেষভাগে তেজি। তাই আশা করা যায় বল দখল, প্রান্ত ব্যবহার আর সেট‑পিসে চাপ গড়ে তুলে ৭৫ মিনিটের পর গতি বাড়াবে তারা। এলচের কাজ দ্বিমুখী—শেষের ঢেউ সামলানো এবং অ্যাওয়ে খরা থামানো। ২০১৩ সালের পর থেকে তারা বালাইদোসে জিততে পারেনি। সফল হতে হলে কমপ্যাক্ট ব্লক, সেট‑পিসে কড়া শৃঙ্খলা এবং দ্রুত ট্রানজিশনে সেল্তার তাল কেটে দিতে হবে। ৭০ মিনিটের পর ম্যাচ ম্যানেজমেন্টই ভাগ্য গড়বে। প্রবণতা সামান্য বাড়তি ভরসা দিচ্ছে সেল্তাকে, তবে ড্র—বিশেষত ২–২—প্রবল সম্ভাবনা। সম্ভাব্য ফল: ১–০, ২–১ বা ২–২। যা-ই হোক, নির্দেশনা একটাই—শেষ পনেরো মিনিটে সিদ্ধান্ত।