সব
বিশ্বকাপ
ফুটবল
ভবিষ্যদ্বাণী
ম্যাচ রিপোর্ট
অতিরিক্ত সময়ে মেরিনোর গোল, স্পেন ১-০ পর্তুগাল
বিকল্প হিসেবে মাঠে নেমে মিকেল মেরিনো অতিরিক্ত সময়ে জয়সূচক গোল করেন, স্পেন ১-০ ব্যবধানে পর্তুগালকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখে। এর সাথে শেষ হয় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সোনালি ট্রফি জয়ের স্বপ্ন। কৌশলগত লড়াই ও দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ে ভরা এই নকআউট ম্যাচে ধৈর্য-নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকা লা রোহা শেষ মুহূর্তে ফল পায়।
অষ্টম মিনিটেই স্পেনের এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল। দানি ওলমোর প্রথম ছোঁয়ায় বুদ্ধিদীপ্ত পাসে ডিফেন্স ভেদ করে বেরিয়ে যান মিকেল ওয়ারজাবাল; রেনাতো ভেইগা অনসাইড রেখেছিলেন, তবু বাম পায়ের শটটি পোস্ট মিস করে যায়। ১৬ মিনিটে পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তা টানা দুই সেভে নজর কাড়েন—প্রথমে লামিনে ইয়ামালের কার্লিং শট ঠেকান, পরে আলেক্স বাইয়েনার প্রচেষ্টা কর্নারে ঠেলে দেন।
বিরতির খানিক আগে সংক্ষিপ্ত কর্নার থেকে প্রায় গোল পেয়ে যাচ্ছিল পর্তুগাল। নুনো মেন্ডেসের জোরালো শট পেদ্রো পোরো মাথা ছুঁইয়ে বার ছুঁইয়ে বেরিয়ে যায়, স্পেন রক্ষা পায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ধাক্কা খায় পর্তুগাল—ইয়ামালের ক্রস ঠেকাতে গিয়ে স্লাইডে চোট পান মেন্ডেস; নেলসন সেমেদো নেমে ইয়ামালকে সামলানোর দায়িত্ব নেন। স্পেন চাপ বাড়ায়; বাইয়েনার নিচু শট আবার কস্তাকে পরীক্ষা নেয়। পাসিং ও উইং বদলে আক্রমণে ফাঁক খুঁজতে থাকে স্পেন, আর পর্তুগাল ভরসা করে পাল্টা আক্রমণে।
রুবেন দিয়াসের নেতৃত্বে ডিফেন্স একের পর এক আক্রমণ ঠেকালেও পরিষ্কার সুযোগ কম ছিল। অতিরিক্ত সময় যখন সামনে, তখনই স্পেন গোল খুঁজে পায়—দ্রুত দিক বদল, মাপা ক্রস, আর দ্বিতীয় সারি থেকে উঠে এসে মেরিনোর ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশ।
শেষ মুহূর্তের এই আঘাতেই নিশ্চিত হয় স্পেনের শেষ আট, থেমে যায় পর্তুগালের পথ এবং রোনালদোর বিশ্বকাপ স্বপ্ন। স্পেনের জন্য নিয়ন্ত্রণ, স্থিতি আর বেঞ্চ থেকে আসা প্রভাবই হলো পার্থক্য।