
প্রিমিয়ার লিগের শেষ দিনে এভারটনের বিরুদ্ধে ১-০ জয়ে টটেনহ্যাম হটস্পার অবশেষে অবনমন এড়াল। নির্নায়ক মুহূর্তে জোয়াও পালহিনিয়া গোল করে নর্থ লন্ডনে টানটান স্নায়ুচাপে স্বস্তি এনে দেন। মৌসুমের শেষ প্রান্তে দায়িত্ব নিয়ে রবার্তো দে জেরবির করা উদ্ধারকর্ম এই ফলেই পরিপূর্ণ হলো।
দে জেরবি জটিল পরিস্থিতিতে আসেন। ইগোর ত্যুদরের অধীনে পাঁচ ম্যাচে (১ ড্র, ৪ হার) হতাশাজনক সূচনার পর তিনি দায়িত্ব নেন এবং শেষ সাত ম্যাচে তিন জয় ও দুই ড্র এনে দলে কাঠামো, সাহস ও স্পষ্টতা ফেরান।
শেষ দিন টটেনহ্যাম অবনমন অঞ্চলের ওয়েস্ট হাম ইউনাইটেডের চেয়ে দুই পয়েন্ট এগিয়ে ছিল। যদিও হ্যামাররা লিডস ইউনাইটেডকে ৩-০ ব্যবধানে হারায়, পালহিনিয়ার গোল ও স্পার্সের বল দখলভিত্তিক পরিণত ফুটবল সেই ফলকে অপ্রাসঙ্গিক করে তোলে।
ডিফেন্ডার মিকি ভান দে ভেন সোজাসাপ্টা স্বীকার করেন, মৌসুমজুড়ে ক্লাবের নাজুক অবস্থায় তিনি “লজ্জিত” বোধ করেন—যদিও দলের মধ্যে “অবিশ্বাস্য খেলোয়াড়” রয়েছে। তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবেও এটি ছিল কঠিন মৌসুম; শেষ বাঁশিতে আবেগ উথলে ওঠে।
অন্যদিকে দে জেরবি গর্ব প্রকাশ করেন: “আমি ভাগ্যবান—আমার কাছে বড় মাপের খেলোয়াড় আছে। আজ তারা শুধু লড়াই করেনি, বলের সাথে দারুণ ফুটবলও খেলেছে। অবিশ্বাস্য ম্যাচ; ফুটবল আজ যা দিয়েছে, তারা তার প্রাপ্য।” তার পজেশন-নির্ভর সাহসী দর্শন স্পার্সের পারফরম্যান্সে প্রতিফলিত হয়েছে—চাপের মুহূর্তেও স্থিরতা, আর সুযোগে আঘাত।
পালহিনিয়ার গোল এই মৌসুমে তার বহু গুরুত্বপূর্ণ অবদানের আরও একটি সংযোজন। টটেনহ্যামের মিশন ছিল টিকে থাকা; লক্ষ্য পূরণ। এখন সময় পুনর্গঠন ও সামনে এগোনোর।