সব

ম্যাচ রিপোর্ট

ফুটবল

ভবিষ্যদ্বাণী

Tusport - খবর - ক্রেমোনেজে বনাম কোমো ১৯০৭: হোম দাপট বনাম অপরাজিত ধারায়

ক্রেমোনেজে বনাম কোমো ১৯০৭: হোম দাপট বনাম অপরাজিত ধারায়

ক্রেমোনেজে বনাম কোমো ১৯০৭: হোম দাপট বনাম অপরাজিত ধারায়
ইতিহাস ক্রেমনোনার দিকেই ঝুঁকে আছে। ইউএস ক্রেমোনেজে ঘরের মাঠে এই জুটিতে কর্তৃত্ব করেছে—সর্বশেষ ৯ হোম ম্যাচে ৭টি জয়, মোট গোল ১৬-৭; আর দুই দলের সবচেয়ে সাধারণ স্কোর ৩-১, যা চারবার ঘটেছে। কোমো ১৯০৭ শেষবার ক্রেমনোনায় জিতেছিল ২০১৩ সালে, এবং ঘরের মাঠে কোমোর বিপক্ষে ক্রেমোনেজে গত চার সাক্ষাতে অপরাজিত। তবু সফরকারী শিবিরে আত্মবিশ্বাস কম নয়—তারা টানা চার ম্যাচে হারের মুখ দেখেনি। সম্ভাব্য নাটক হবে শেষ পনেরো মিনিটে। ক্রেমোনেজের ৩০% গোল ৭৬-৯০ মিনিটে আসে, কোমোও একই সময়ে ২৩% গোল করে। দুই দলের এ ‘লেট-পুশ’ ইঙ্গিত দেয় বদলি, সতেজ পা ও সেট-পিসের গুণমানই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। যদি ৭৫ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ সমতায় থাকে, শেষ বাঁকে ফল নির্ধারিত হওয়ার আশংকাই বেশি—বিশেষত ক্রেমোনেজের পক্ষে, যারা মুখোমুখি লড়াইয়ে বারবার শেষার্ধে জোর বাড়ায়। তবে দুটি সতর্কতা প্রযোজ্য: এ মৌসুমে সিরি আ-তে ক্রেমোনেজে ১৮ হোম ম্যাচের ৭টিতে গোল পায়নি; কোমোও ১৮ অ্যাওয়ে ম্যাচের ৬টিতে নিস্তব্ধ থেকেছে। আক্রমণভাগের ওঠানামা মানে শুরুটা কৌশলনির্ভর ও সংযত হতে পারে। ক্রেমোনেজেকে বল দখলকে সুযোগে রূপ দিতে হবে; কোমোকে ট্রানজিশনে শুদ্ধতা এবং প্রথম দফার চাপ সামলে শেষ মুহূর্তে আঘাত হানতে হবে। কৌশলগত দিক থেকে বদলির সময়ই বড় ফ্যাক্টর—দ্রুত উইঙ্গার, অতিরিক্ত স্ট্রাইকার বা সেট-পিস স্পেশালিস্ট। ছোট ব্যবধানের লড়াইয়ে ফ্রি-কিক ও কর্নারের গুরুত্ব বেড়ে যায়। মানসিক চাপও ক্রেমোনেজের পক্ষে—৩-১-এর ‘চেনা’ স্কোরলাইন তাদের আস্থা বাড়ায়। পূর্বাভাস: ইতিহাস ও হোম সুবিধা ক্রেমোনেজের দিকে; গোল আসতে পারে ম্যাচের শেষ ভাগে। কোমোর টানা চার ম্যাচে অপরাজিত থাকা ম্যাচটাকে ৭৫ মিনিট পর্যন্ত টানটান রাখার কথা। ওখান পর্যন্ত টিকে গেলে ড্র সম্ভাব্য; নচেৎ ক্রেমোনেজের শেষ ধাক্কায় ২-১ বা চেনা ৩-১ স্কোরলাইন দেখা যেতে পারে।