আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ঘরের মাঠে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে। ইতিহাস স্পষ্টভাবে স্বাগতিকদের পক্ষে: শেষ সাত দেখায় যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ জয়, মোট গোল ১০-৫; যুক্তরাষ্ট্রে হওয়া শেষ পাঁচ লড়াইয়ের চারটিতেই জিতেছে স্বাগতিকরা। প্যারাগুয়ের যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সর্বশেষ জয় ২০১১ সালে; সর্বশেষ তিন সরাসরি মোকাবিলায়ও তারা জিততে পারেনি।
তবে চলতি ফর্ম রোমাঞ্চ বাড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র টানা আট ম্যাচে গোল হজম করেছে—রক্ষণভাগে অস্থিরতার ইঙ্গিত। বিপরীতে প্যারাগুয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে গোল করেছে, যা তাদের আক্রমণভাগের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে। এই দুই প্রবণতা ইঙ্গিত দেয়—দুই দলই সুযোগ পাবে।
শুরুর ধাপটি হতে পারে নির্ধারক। যুক্তরাষ্ট্র প্রথমার্ধ জেতে ৩১% ম্যাচে, প্যারাগুয়ে মাত্র ১১%—মানে শুরুতেই তাল কাঁপাতে পারে স্বাগতিকরা। আরো গুরুত্বপূর্ণ, ঘরে ১-০ এগিয়ে গেলে ৭৭% ক্ষেত্রে ম্যাচ জিতে ফেলে যুক্তরাষ্ট্র। তাই প্রথম গোল ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে সক্ষম।
কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র উচ্চপ্রেস, উইং দিয়ে দ্রুত আক্রমণ আর সেট-পিসে চাপ বাড়াতে চাইবে। প্যারাগুয়ের পথ—মিড/লো ব্লক, দ্রুত ট্রানজিশন, এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফুলব্যাকের পেছনের ফাঁকা জায়গা টার্গেট করা। যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হজমের প্রেক্ষিতে প্যারাগুয়ে আগেই শট নেওয়া ও সেকেন্ড বল কন্টেস্টে আগ্রাসী হতে পারে।
কী ফোকাস: গোলখরা ভাঙতে পারে কি প্যারাগুয়ে এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে? যুক্তরাষ্ট্র কি শেষমেশ ‘ক্লিন শিট’ তুলতে পারে? এবং প্রথমার্ধে কি স্কোরলাইন টানটান থাকবে?
ফলাফলের বাইরেও এই ম্যাচ বার্তাবহ: শৃঙ্খলাপূর্ণ, নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স যুক্তরাষ্ট্রকে পরের বড় লড়াইয়ের জন্য দৃঢ় করবে; অন্যদিকে লড়াকু অ্যাওয়ে শো প্যারাগুয়ের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। সার্বিকভাবে কম ব্যবধানে হাড্ডাহাড্ডি এক লড়াই প্রত্যাশিত, যেখানে প্রথম গোল ও মোমেন্টাম ম্যানেজমেন্টই পার্থক্য গড়তে পারে।