সব

ম্যাচ রিপোর্ট

ফুটবল

ভবিষ্যদ্বাণী

Tusport - খবর - ভিয়ারিয়াল বনাম আতলেতিকো: ঘরের খরা, শেষ মুহূর্তের হুমকি

ভিয়ারিয়াল বনাম আতলেতিকো: ঘরের খরা, শেষ মুহূর্তের হুমকি

ভিয়ারিয়াল বনাম আতলেতিকো: ঘরের খরা, শেষ মুহূর্তের হুমকি
লা সেরামিকায় ফিরে ভিয়ারিয়ালের সামনে বড় প্রশ্ন—২০১৮ সালের পর থেকে তারা ঘরে আতলেতিকো মাদ্রিদকে আর হারাতে পারেনি। অথচ শেষ ২৪টি ঘরের মুখোমুখিতে ‘হলুদ সাবমেরিন’ এগিয়ে (১০ জয়, ৯ ড্র, ৫ হার; গোল ৩৮-২৮)। সামগ্রিক ৪৯ লড়াইয়ে অবশ্য আতলেতিকো এগিয়ে (১৮ জয়, ১৬ ড্র, ১৫ হার; গোল ৬৯-৬৩)। এই দ্বৈত চিত্রই ইঙ্গিত দিচ্ছে—ফয়সালা হবে খুঁটিনাটিতে। গত মৌসুমেও ব্যবধান ছিল সূক্ষ্ম: ভিয়ারিয়ালে ২-২, মাদ্রিদে ১-১। পরিসংখ্যান বলে—এটি রিদমের সংঘর্ষ। ভিয়ারিয়াল তাদের ২২% গোল করে ৩১-৪৫ মিনিটে, অর্থাৎ বিরতির আগে চাপে রাখে। আতলেতিকো ২৩% গোল করে ৭৬-৯০ মিনিটে—শেষ সময়ে তাদের ধাক্কা ঢাকনা খুলে দিতে পারে। যেন দুই ম্যাচ—প্রথমার্ধের শেষ ভাগ এবং খেলার শেষ পনেরো মিনিট। দুই দলই নিজেদের শক্ত মাটিতে খুব কম নির্বাক থাকে। এ লা লিগা মৌসুমে ভিয়ারিয়াল ১৮টি ঘরের ম্যাচে মাত্র ২টিতে গোল পায়নি; আতলেতিকো ১৮টি অ্যাওয়ে ম্যাচে ৩ বার গোলশূন্য। মানে দুই দলই গোল করতে পারে—জেতা-হারার চাবি হবে সঠিক সময়ের আঘাত ও ডিটেইলস। ব্যক্তিগত দিক থেকে, জর্জেস মিকাউতাদজে ১২ গোল নিয়ে ভিয়ারিয়ালের শীর্ষ স্কোরার। আলেকজান্ডার সরলথের গোল ১৩—অর্থাৎ সামনে বহু বৈচিত্র্যময় হুমকি। আতলেতিকোর শক্তি তাদের শেষভাগের ছন্দ—চাপ সহ্য করে গতিবৃদ্ধি, সামান্য ব্যবধানকে পয়েন্টে রূপান্তর। কী-জোন: বিরতির আগে ভিয়ারিয়ালের চাপের পর ট্রান্সিশন, আর ক্লান্তির সময়ে সেট-পিস শৃঙ্খলা। বিরতির আগেই যদি স্বাগতিকরা আঘাত হানে, ঘরের খরা কাটার সম্ভাবনা বাড়বে; না হলে শেষভাগে আতলেতিকোর ধাক্কা ফল ঠিক করে দিতে পারে। সাম্প্রতিক ড্র-ধারাবাহিকতা ও গোলের সময়-জানালা দেখে আরেকটি ড্র অসম্ভব নয়—যদি না কোনো পক্ষ তাদের শক্ত সময়টুকু পুরোপুরি দখলে আনে।